আরেক রকম ● চতুর্দশ বর্ষ দশম সংখ্যা ● ১৬-৩১ মে, ২০২৬ ● ১-১৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
প্রবন্ধ
সুকান্তের চর্চা আজ দরকার
অম্বিকেশ মহাপাত্র
বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকের শেষভাগ। আমরা তখন স্কুলছাত্র। স্কুলের আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ওরা কাজ করে' কবিতা আবৃত্তি করতে বাধ্য হয়েছিলাম। হাতে এসেছিল পুরস্কার হিসেবে বই 'সুকান্ত সমগ্র'। আমাদের কিশোর বয়সে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছবিসহ 'সুকান্ত সমগ্র' থেকে 'ছাড়পত্র', 'রবীন্দ্রনাথের প্রতি', 'চারাগাছ', 'একটি মোরগের কাহিনি', 'লেনিন', 'সিগারেট', 'দেশলাই কাঠি', 'রানার', ... প্রভৃতি কবিতাগুলি পড়তে পড়তে শরীর ও মন শিহরিত হয়েছিল। জেনেছিলাম, কিশোর বয়সেই সুকান্ত যক্ষা রোগে মারা যান। সুকান্তের জীবনকাল মাত্র ২০ বছর ৮ মাস ২৮ দিন অর্থাৎ প্রায় পৌনে একুশ বছর! কিশোর বয়সে এই রকমের কবিতা লিখেছেন! কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য নিশ্চিতভাবে বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।
সেই সময়কালে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে ছিল; ক্লাসে পড়ানো হতো। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়, সে স্কুলে হোক বা পাড়ার কোনো ক্লাবে হোক; আবৃত্তিতে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা অপরিহার্য ছিল। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে 'সুকান্ত সমগ্র' বা 'ছাড়পত্র' বই উপহার দেওয়ার একটা রেওয়াজ ছিল। সেকারণে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার বই ছোট ছোট বইয়ের দোকানে কিনতে পাওয়া যেত। এমনকি গঞ্জ এলাকায় কিছু মুদির দোকানেও সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার বই পাওয়া যেত। তাছাড়া বহু সঙ্গীতশিল্পীর কন্ঠে সুকান্তের কবিতা গানরূপে শোনা যেত। প্রখ্যাত সঙ্গীতসাধক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কন্ঠে 'রানার'; সে তো কালজয়ী। এখনও 'রানার' কবিতা বা গান শুনতে শুনতে অন্য জগতে চলে যেতে হয়। নৃত্যশিল্পী শম্ভু ভট্টাচার্যের নৃত্যসহ 'রানার' গান; সে এক অনবদ্য সৃষ্টি।
বর্তমান সময়কালে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষে, আমরা যখন জীবন সায়াহ্নে, তখন সুকান্ত স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে ব্রাত্য! জন্মশতবর্ষ পালনে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই! উপহার হিসেবে সুকান্তের কবিতার বই আর তেমন ব্যবহৃত হয় না! সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর এবং কালজয়ী সৃষ্টি এই সময়কালে কী প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে? তা তো নয়। তা হলে? রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই সুকান্ত ভট্টাচার্য আজ ব্রাত্য। এই পরিস্থিতিতে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষে সুকান্তের চর্চা জরুরি।
বিশ্বজয়ী বিশ্বকবি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সকলেরই প্রাণের ঠাকুর। সাহিত্যে বিশ্বখেতাব নোবেল পুরস্কার জয়ের মধ্যদিয়ে বাংলা ভাষা তথা বাংলা সাহিত্য তথা বাঙালিকে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সৃষ্টির তল খোঁজা এক দূরুহ দুষ্কর কাজ। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর প্রায় ৮৫ বছর পর, এখনও বহু গবেষক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্মের ওপর নিরন্তর গবেষণা চালু রেখেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল প্রায় ৮০ বছর, সেখানে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবনকাল মাত্র প্রায় পৌনে একুশ বছর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকালের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জীবনকাল সুকান্ত ভট্টাচার্যের। প্রায় পৌনে একুশ বছর জীবনকালের মধ্যে শৈশব এবং বালক বয়সের জীবনকাল বাদ দিলে ক'বছর-ই বা পেয়েছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য পৃথিবী পৃষ্ঠের ঘটনাবলি জানবার? তবুও 'রবীন্দ্রনাথ' থেকে 'লেনিন' তাঁর লেখা কবিতায় ধরা রয়েছে। 'ঘুম ভাঙার গান', 'সিপাহী বিদ্রোহ', 'আঠারো বছর বয়স', 'ভেজাল', 'ব্ল্যাক-মার্কেট', ... কী নেই কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'কবিতা সমগ্র'-তে। আবারও মনে করিয়ে দিতে হয়, সুকান্ত মাত্র পৌনে একুশ বছর সময়কাল বেঁচেছিলেন এবং সুকান্ত এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন!
কবিতার জগতে আবির্ভাবের প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য সুকান্ত ভট্টাচার্যকে আশ্চর্য প্রতিভাধর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্তু ঠিকমতো বিকশিত হওয়ার মুখেই সেই আশ্চর্য প্রতিভাধরকে আমরা হারিয়েছি। সুকান্ত ভট্টাচার্য সেদিক থেকে মন্দভাগ্য। অকালমৃত্যু সুকান্তকে বাংলা সাহিত্যে শুধু বিপুলতর গৌরভলাভের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত করেনি, সেই সঙ্গে লেখার সংখ্যায় আর পরিমাণে পরিণতির চেয়ে প্রতিশ্রুতির পাল্লাই ভারী করেছে। এককথায় সুকান্ত একজন বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী কবি। বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী কিশোর সুকান্তের মননে এবং লেখণিতে এই ধরণের কবিতা কীভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল; ইত্যবসরে তার কারণ খোঁজা যেতে পারে।
বিদ্যাভূষণ নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং সুনীতি দেবীর সাত পুত্রসন্তানের দ্বিতীয় সন্তান সুকান্ত ভট্টাচার্য। প্রায় ১৭০ বছরের ব্রিটিশ শাসনাধীন পরাধীন ভারতে ১৫ই আগস্ট, ১৯২৬ কলকাতার কালীঘাট অঞ্চলে মাতামহের বাড়িতে সুকান্ত জন্মগ্রহণ করেন। যন্ত্রণাদীর্ণ এবং দাঙ্গাদীর্ণ ঘটনার মধ্যদিয়ে দেশভাগ সহ স্বাধীনতালাভের তিন দিন পূর্বে ১৩ই আগস্ট, ১৯৪৭ পৃথিবী থেকে সুকান্ত চিরবিদায় নেন। জীবনকাল মাত্র পৌনে একুশ বছর। অতি অল্প জীবনকালে প্রায় ২০০টি কবিতা রচনা করেছেন। কবিতায় কোনো রোমান্টিকতা নেই। অধিকাংশ কবিতাতে তাঁর রাজনৈতিক এবং মানবিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল -
১) শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ (প্রসঙ্গত 'দেশলাই কাঠি' কবিতার অংশ বিশেষ - "আমাদের কী অসীম শক্তি তা তো অনুভব করেছ বারবার; তবু কেন বোঝো না, আমরা বন্দি থাকব না তোমাদের পকেটে পকেটে, আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব শহরে, গঞ্জে, গ্রামে- দিগন্ত থেকে দিগন্তে।")
২) শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা (প্রসঙ্গত 'রানার' কবিতার অংশ বিশেষ - "ক্লান্তশ্বাস ছুঁয়েছে আকাশ, মাটি ভিজে গেছে ঘামে; জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে। অনেক দুঃখে, বহু বেদনায়, অভিমানে, অনুরাগে, ঘরে তার প্রিয়া একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।")
৩) ভবিষ্যৎ সমাজের প্রতি আশাবাদী দৃষ্টি (প্রসঙ্গত 'ছাড়পত্র' কবিতার অংশ বিশেষ - "এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক'রে যাব আমি - নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার। অবশেষে সব কাজ সেরে, আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে, করে যাব আশীর্বাদ, তারপর হব ইতিহাস।")
সুকান্ত ছিলেন মূলত শোষিত মানুষের কবি। আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তাঁর কবিতায় রোমান্টিক আবেগের বদলে রয়েছে বাস্তব জীবনের কঠোর সত্য; ক্ষুধা, দারিদ্র্য, শ্রেণিসংগ্রাম ও বিপ্লবের প্রত্যয়। তিনি লিখেছিলেন - "ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়", এই একটি পংক্তিতেই ধরা পড়ে তাঁর কবিসত্তার মূল দর্শন। যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা অপূর্ণ, সেখানে সৌন্দর্য, কাব্যিকতা কিংবা অলংকার অর্থহীন - এই বোধই সুকান্তকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। সুকান্তের সাহিত্য চেতনা গড়ে উঠেছিল তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৪৩-এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা - এই সবকিছুই তাঁর মননে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তিনি কমিউনিস্ট আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বাস করতেন, কবিতা শুধু সৌন্দর্যচর্চার মাধ্যম নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের অস্ত্র। তাঁর কবিতায় তাই ব্যক্তিগত বেদনার চেয়ে সামাজিক যন্ত্রণাই বেশি উচ্চারিত হয়েছে।
'ছাড়পত্র', 'ঘুম নেই', 'পূর্বাভাস', 'হরতাল' - এই কবিতাগুলিতে সুকান্ত শোষণের বিরুদ্ধে সরব কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন। তিনি কবিতাকে হাতিয়ার করেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। তাঁর ভাষা সরল, প্রত্যক্ষ, প্রায় বক্তৃতার মতো - কিন্তু তাতেই রয়েছে আগুন। তিনি বিশ্বাস করতেন, কবিতার আসল পাঠক শ্রমজীবী মানুষ, যাঁদের জীবনের সঙ্গে কবিতার যোগ থাকতে হবে।
সুকান্ত ভট্টাচার্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তাঁর আত্মসচেতনতা। নিজের অকালমৃত্যু সম্পর্কে যেন তিনি আগাম অনুভব করেছিলেন। 'ছাড়পত্র' কবিতায় তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে দায়িত্ব তুলে দিয়ে বলেন - "এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি"। এই উচ্চারণ নিছক কবিতা নয়, এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে নৈতিক দায়িত্ব হস্তান্তরের ঘোষণা।
ছাত্রজীবনেই সুকান্ত প্রগতিশীল রাজনীতি ও বামপন্থী আদর্শের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেন এবং 'কিশোর সভা' ও 'গণনাট্য সংঘ'-এর কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতা, বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও শোষণ, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ, ক্ষুধা ও শ্রেণিসংগ্রাম তাঁর কবিতার প্রধান উপজীব্য হয়ে ওঠে। তাঁর ভাষা সহজ, প্রত্যক্ষ ও দৃঢ়। 'ছাড়পত্র', 'ঘুম নেই', 'পূর্বাভাস' প্রভৃতি কবিতায় তিনি সমাজ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। "ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়" - এই পংক্তি তাঁকে শোষিত মানুষের কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জীবদ্দশায় তাঁর লেখা খুব বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত না হলেও মৃত্যুর পর 'ছাড়পত্র', 'ঘুম নেই' ও 'পূর্বাভাস' কাব্যগ্রন্থগুলি প্রকাশিত হয় এবং বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। জন্মশতবর্ষে দাঁড়িয়ে আজও সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রাসঙ্গিক। কারণ আজও সমাজে বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা, বেকারত্ব, ক্ষুধা ও শোষণ বিদ্যমান। তাই তাঁর কবিতা শুধু স্মরণীয় নয়, প্রয়োজনীয়ও। সুকান্ত আমাদের শেখান - কবি হওয়া মানে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা নয়; বরং সমাজের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হওয়া। সবশেষে বলা যায়, সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতার এক অগ্নিযুগের প্রতিনিধি। তাঁর জীবন স্বল্প, কিন্তু তাঁর কণ্ঠ দীর্ঘজীবী। জন্মশতবর্ষে তাঁর স্মরণ মানে শুধু একজন কবিকে স্মরণ করা নয় - একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও শোষণমুক্ত সমাজের স্বপ্নকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা।
স্বল্পজীবন হলেও সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাহিত্যিক অবদান গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী। তিনি বাংলা কবিতাকে সামাজিক দায়বদ্ধতার নতুন পথ দেখিয়েছেন। আজও তাঁর কবিতা আমাদের অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠে আসে। সুকান্ত ভট্টাচার্য তাই কেবল একজন কবি নন, তিনি এক চেতনার নাম - যা যুগে যুগে মানুষকে সচেতন ও সংগ্রামী করে তোলে। আজ রামমোহন - বিদ্যাসাগর - ডিরোজিও - রবীন্দ্রনাথ - নজরুল - সুকান্ত - ... প্রমুখদের বাংলায়; নবজাগরণে - স্বাধীনতা সংগ্রামে - কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে - সাহিত্যে - সংস্কৃতিতে - বিজ্ঞানচর্চায় এগিয়ে থাকা বাংলায় মনুবাদী সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক দল দীর্ঘমেয়াদী নানান কৌশল অবলম্বনে দেশের সঙ্গে এই বাংলার প্রশাসন দখল করে বসেছে। ফলে মানুষে মানুষে বিভেদ, জাতের নামে বজ্জাতির কালোমেঘ বাংলার পূবাকাশে উঁকি দিচ্ছে এবং বিস্তারলাভে প্রয়াসী। এমত অবস্থায় রামমোহন, বিদ্যাসাগর, ডিরোজিও, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল প্রমুখদের সঙ্গে বাংলায় সুকান্তের চর্চাও জরুরি।