আরেক রকম ● ত্রয়োদশ বর্ষ সপ্তদশ সংখ্যা ● ১-১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ● ১৬-৩১ ভাদ্র, ১৪৩২
প্রবন্ধ
শতবর্ষে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতা
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন

পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতা পাঠের সময়ে আমি মনশ্চক্ষে আমার মরহুম পিতামহের সাক্ষাৎ পেয়ে যাই। মায়ের বয়ানে যেমন শুনেছি, ঠিক তেমনি কৃষ্ণবর্ণ ও বিশালাকৃতির দেহাবয়ব নিয়ে আমার দাদা যেন এসে সশরীরে সামনে দাঁড়িয়ে যান, আমাকে নিয়ে যান ডালিম গাছের তলে, দাদি ওখানে অন্তিমশয্যায় শুয়ে আছেন তিরিশ বছর ধরে। মায়ের গল্পে দাদির বর্ণনা যা শুনেছি ঠিক তেমনই, দাদি খুব সুন্দরী, ছোটখাটো পুতুলের মতো মানুষ ছিলেন, আর কবির লেখা কবিতায় দাদার বর্ণনায় -
"এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।"
দাদা বললেন ত্রিশ বছর দুই নয়নের জলে তাঁকে তিনি ভিজিয়ে রেখেছেন, আর আমারও চোখের জল বাঁধভাঙা বন্যার মতো মনের দু'কূল প্লাবিত করে ছুটতে শুরু করে, আমি স্রোতে ভেসে যেতে থাকি, আমার পূর্বসূরী জ্ঞাতি-স্বজনদের করুণ বিষাদের বয়ানের পাশাপাশি। কবি জসীম উদ্দীনের হাত ধরে আমার ত্রিকাল দর্শন ও ভ্রমণ সমান্তরালভাবে চলতে থাকে। আমি ক্রমান্বয়ে বাস্তব ও পরাবাস্তবের দোলনায় চড়ে এগোচ্ছি। দাদা তাঁর স্ত্রী (আমার দাদি), পুত্র (আমার বাবা), পুত্রবধূ (আমার মা), নাতনি (আমার বোন) ও শিশুকন্যা (আমার ফুফু) যারা তাঁর জীবনের অবলম্বন হয়ে ছিলেন - তাদের মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে কখনও আমার সাথে, কখনও নিজের সাথে, কখনো প্রকৃতির সাথে, কখনো দয়াময় খোদার সাথে বিষাদ সংগীতের লয়ে অনর্গল বিলাপ করে চলেছেন। বৃদ্ধ দাদু নাতিকে ১১৮ চরণের দীর্ঘ বিষাদমণ্ডিত কবিতায় শোনাচ্ছেন তাঁর জীবনের সকল বেদনার করুণ আর্তি।
ডালিম গাছের নিচে শায়িত তাঁর স্ত্রীর কবরকে কেন্দ্র করে আজ যেন তাঁর স্মৃতির দরজা খুলে গেছে যেখানে একে একে তিনি স্মরণ করেন প্রিয়তম স্বজনদের মৃত্যুকে। এ যেন যাপিত জীবনের শাশ্বত এক বিরহ গাথা, বিচ্ছেদ বিক্ষত হৃদয়ের চিরকালীন আর্তনাদ, অতৃপ্ত প্রেমের অনন্য সংলাপ। কবিতাটি আমি বহুবার আবৃত্তি করেছি আর অনুভব করেছি, শুনেছি দাদুর হৃদয়ের গহনে বেদনা ক্ষরণের শব্দ।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন আমার প্রিয় কবিদের মধ্যে অন্যতম। শৈশবে নানী উম্মা খাতুনের মাধ্যমে যে কয়েকজন কবি-সাহিত্যিকের লেখার সাথে আমার পরিচয় ঘটে তার মধ্যে পল্লীকবি জসীম উদ্দীন অন্যতম। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র থাকা অবস্থায়ই তাঁর 'কবর' ও 'পল্লিজননী' - এই দু'টি দীর্ঘ কবিতা আমি মুখস্ত করেছিলাম। আরও পরে পড়েছিলাম 'নিমন্ত্রণ', 'আসমানি' সহ আরও অনেক কবিতা। তখনই বিরহকাতর দাদু, পল্লীর এক দুঃখিনী মায়ের বিনিদ্র মুখ ব্যথাতুর করে তোলে আমার শিশুমনকে। গাজনার হাট, আসমানি, রহিমুদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাওয়ার অদম্য সাধ জাগে আমার মনে।
আমি ফরিদপুরে কবির বাসভূমিতে ডালিম গাছের তলে দাদির সেই কবর দেখেছি। এ যেন ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখা, শরীরে শিহরণ ঢেউ খেলে যায়। দাদু দুঃখের পরিসর বিস্তৃত করে চলেছেন তাঁর জোড়মাণিক পুত্র ও পুত্রবধূর অকালে পৃথিবী ত্যাগ করে চলে যাওয়ার ঘটনা স্মরণ করে। তাদের কবর নাতিকে দেখাতে দাদুর বুক ভেঙে যাচ্ছে, সেই দৃশ্যপটে কবির হৃদয় বিদারক বর্ণনা -
"জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু-ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়।"
দাদুর নাতনি (আমার বুজি) জ্বরে মারা যায়। তার বিয়ে হয়েছিল বনেদী কাজিদের বাড়িতে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা তাকে ভালোবাসতো না। কবির বয়ানে সেযুগের সমাজচিত্র, নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি, তথা নারী নির্যাতনের করুণ চিত্র দেখতে পাই -
"এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।"
দাদুর কন্যা (আমার ছোট ফুপু)-র সাত বছর বয়সে সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়, তখনকার সময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা কেমন ছিল, তা আমরা এই কবিতার মাধ্যমে আঁচ করতে পারি। বৃদ্ধ দাদুর শোক কেবলই স্মৃতিচারণ নয়, এটি হয়ে ওঠে এক অন্তরঙ্গ জীবনস্মারক - যেখানে প্রতিটি মৃত্যুই হৃদয়ের গভীরে গেঁথে থাকা স্মৃতিচিহ্ন। দাদু তাঁর জীবিত প্রতিনিধি নাতিকে একান্তে কাছে ডেকে হৃদয়ের আর্তি বয়ান করছেন -
"এইখানে এই কবরের পাশে আরও কাছে আয় দাদু,
কথা কস নাকো, জাগিয়া উঠিবে ঘুম-ভোলা মোর যাদু।
আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ দেখি কঠিন মাটির তলে,
দীন দুনিয়ার ভেস্ত আমার ঘুমায় কিসের ছলে!"
কবি জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যের এক ব্যতিক্রমধর্মী কণ্ঠস্বর, যিনি পল্লিজীবনের প্রেম, বেদনা ও সৌন্দর্যকে কাব্যের ছন্দে রূপ দিয়ে গেছেন নিপুণভাবে। তাঁর কবিতা 'কবর' শুধু একটি শোকগাঁথা নয়, বরং এটি বাঙালির চিরন্তন গ্রামীণ জীবনবোধের এক গভীর শিল্পরূপ। তিনি নিজেই কবিতায় তাঁর এই জীবনবোধের বর্ণনা দিয়েছেন -
"তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি
যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি,
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।"
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণিতে থাকার সময়েই আমি পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের 'কবর', 'পল্লীজননী' ও 'আসমানী' কবিতার পাশাপাশি আরও কিছু দীর্ঘ কবিতা মুখস্ত করেছিলাম সেগুলো হলো - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দুই বিঘা জমি', 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ', 'সামান্য ক্ষতি' ও 'পুরাতন ভৃত্য'; বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'মানুষ', 'নারী' ও 'বিদ্রোহী': সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের 'ঝর্ণা', 'দূরের পাল্লা' (ছিপখান তিন-দাঁড়); কবিকিশোর সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'দুর্মর', 'দেশলাই কাঠি', 'ঠিকানা', 'একটি মোরগের কাহিনী', 'রানার'; কবি ফররুখ আহমদের 'পাঞ্জেরী'; কবি বেনজীর আহ্মদের একটি কবিতা 'আমার সাগরে জেগেছে উর্মি' ইত্যাদি।

১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি 'কবর' সহ আমার এইসব কবিতা মুখস্ত করার একটি বড় কারণ ছিল আমার শিক্ষক পিতার আগ্রহ। স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তিনি আমাকে অংশগ্রহণে সবসময় উৎসাহিত করতেন। সাধারণত ডিসেম্বরে হতো এই উৎসব, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আমাদের গ্রামে নাটকও মঞ্চস্থ হতো। যাহোক আমাদের বাড়িতে নভেম্বর মাস থেকেই শুরু হতো ভাইবোনদের কবিতা আবৃত্তির মহড়া, আব্বার ছাত্রছাত্রীরাও আসত আবৃত্তি অনুশীলন করার এই কর্মশালায়।
বড় হয়ে জেনেছি ১৯২৫ সালে 'কল্লোল' পত্রিকার তৃতীয় বর্ষ, তৃতীয় সংখ্যায় 'গ্রাম্য কবিতা' শিরোনামে 'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। তখন কবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ শ্রেণির ছাত্র। ছাত্রজীবনেই এই কবিতা প্রবেশিকা (SSC) বাংলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয় - যা বাংলা সাহিত্যে নজিরবিহীন ঘটনা। এ কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা পাঠকসমাজে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এমনকি দীনেশচন্দ্র সেন, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
তখন রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বলয়ের বাইরে কবি জসীম উদ্দীন পল্লীর জীবন ও প্রকৃতিকে তাঁর কবিতার উপজীব্য করে তুলে স্বকীয় কাব্যধারা রচনা করেছিলেন। তাঁর কবিতা আমাদেরকে গ্রামের শীতল পরশে অবগাহনের আহ্বান জানায় যেখানে উদাসী বনের লতায় পাতায় মানুষ, প্রকৃতি, গাছপালা, পশুপাখি যেন সবাই সবার নিকটাত্মীয়। তারা সবাই পরস্পরের পরিপূরক, সবাই মানুষের ভাষা বোঝে - একে অপরের সাথে কথা কয়, সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয় পরম স্বজনের মতো - কবির পুত্রবিয়োগ ঘটলে, তাঁর পুত্রবধু মৃত স্বামীর লাঙল-জোয়াল দু'হাতে জড়ায়ে ধরে আর্তনাদ করে, গাছের পাতারা যেন সেই বেদনায় বুনো পথে ঝরে যায়, শূন্য মাঠে ফাল্গুনী হাওয়াও কেঁদে ওঠে, শোকের মাতমে গ্রামের পথিকেরা চোখ মোছে, ছেলের কর্মক্ষেত্রের সাথী অবলা গবাদি পশুরাও শোকে মুহ্যমান -
"আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্মা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ।"
দাদুর মুখে উঠে আসা ভালোবাসার অপূরণীয়তা, পারিবারিক সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা এবং মৃত্যু-পরবর্তী শূন্যতার আর্তি যেন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে এই কবিতায়। শুধু যাপিত জীবনের দুঃখবেদনাই নয়, 'কবর' কবিতায় আধ্যাত্মিক ও পারলৌকিক জীবনের কথাও স্মরণের গোচরে নিয়ে আসেন কবি। কবিতার শেষ স্তবকে তিনি তুলে ধরেন মৃত্যুকামনার গভীর আকুতি -
"ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে,
অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।"
'কবর' কবিতা পড়তে পড়তে বারবার চোখের জল ঝরে পড়ে। এমনভাবে শব্দের সুরে বিষাদে মিশে যায় যে মনে হয় - এ শুধু একটি কবিতা নয়, বরং একটি অন্তহীন শোকগাথা, বিচ্ছেদ বিক্ষত হৃদয়ের আর্তনাদ, এক অতৃপ্ত প্রেমের সংলাপ। আমি বহুবার এই কবিতা আবৃত্তি করেছি, আর প্রতিবারই তাই অনুভব করেছি হৃদয়ের গভীরে প্রবাহিত বিষাদের ক্ষরণ।
'কবর' কবিতায় ব্যবহৃত গ্রামীণ ভাষা, সংলাপ, অভিনব ভঙ্গি এবং জীবনঘনিষ্ঠ চিত্রায়ণ রচনার শতবর্ষ পরেও এ কবিতাকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা রচনা হিসেবে অনন্য করে তুলেছে। আমি বাংলা সাহিত্যে পল্লীজীবনের এমন অকৃত্রিম রূপায়ণ আর কোনও কবির লেখনীতে চিত্রিত হতে দেখিনি। বিশ্বসাহিত্যেও এমন উপমা খুব কমই খুঁজে পাওয়া যায়। তুলনা করতে চাইলে আমরা ইংরেজ কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থের প্রকৃতি ভাবনার সাথে আমাদের পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের কাব্যভাবনার মিল খুঁজে পাই।
১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণকারী কবি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যজীবন শুরু হয় এই 'কবর' কবিতার মাধ্যমে। তাঁর পল্লিজীবনের প্রতি গভীর অনুরাগ ফুটে উঠেছে তাঁর 'নকশীকাঁথার মাঠ', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'ধানখেত', 'মাটির কান্না' প্রভৃতি গ্রন্থে। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী ও প্রগতিশীল মননের কবি। ষাটের দশকে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি সোচ্চার হয়েছিলেন। ধর্ম, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার বিভাজনহীন ভাবনা তাঁর লেখায় স্পষ্টভাবে উপস্থিত।

এ বছর কবি জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতার একশ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এমন কাব্যিক মহত্বের স্বীকৃতি সচরাচর কোনও কবির ভাগ্যে জোটে না। জসীম উদ্দীন শুধু কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন গীতিকার, ঔপন্যাসিক। তাঁর 'নকশী কাঁথার মাঠ' ও 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' বাংলা গীতিকবিতার অমর নিদর্শন। সম্প্রতি 'সোজন বাদিয়ার ঘাট'-এর চলচ্চিত্ররূপ দেওয়ার কাজ এগিয়ে চলছে।
শতবর্ষ পেরিয়ে আজও 'কবর' কবিতা আমাদের হৃদয়ের গভীরে জেগে থাকে। মৃত্যুর শোক এখানে নিছক বেদনাবোধ নয়, বরং তা হয়ে ওঠে জীবনের প্রতি ভালোবাসার ও আত্মিক সংযোগের প্রতীক। এইভাবে 'কবর' হয়ে ওঠে বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন - যেখানে ভালোবাসা, শোক, স্মৃতি আর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় সাহিত্যের সর্বোচ্চ মানবিকতা।
তথ্যসূত্র:
[১] 'কল্লোল' পত্রিকা, তৃতীয় বর্ষ, তৃতীয় সংখ্যা (১৯২৫)।
[২] জসীম উদ্দীনের 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ।
[৩] মাধ্যমিক বাংলা পাঠ্যক্রম, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড।
[৪] আল মাহমুদের প্রবন্ধ ও জসীম উদ্দীনের আত্মস্মৃতি।